1. abdullah53024@gmail.com : Md Abdullah : Md Abdullah
  2. admin@sotterdorpon24.com : admin : Sotter Dorpon
  3. sotterdorpon24@gmail.com : Sazzad SD : Sazzad SD
জন্মদিন: স্মরণে হলিউডের “কুইন অব দ্য মুভিজ” – মেরি পিকফোর্ড - দৈনিক সত্যের দর্পণ জন্মদিন: স্মরণে হলিউডের “কুইন অব দ্য মুভিজ” – মেরি পিকফোর্ড - দৈনিক সত্যের দর্পণ
শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:২৪ অপরাহ্ন
বিজ্ঞপ্তি :
বাংলাদেশের জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল দৈনিক সত্যোর দর্পণ পত্রিকার পক্ষ থেকে দেশ বাসিকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন সত্য প্রকাশে অবিচল” এই স্লোগানকে বুকে ধারন করে আমাদের পথ চলা, আপনার আশে-পাশে ঘটে যাওয়া ঘটনা খবরের পিছনের খবর সবার আগে দেশ-বাসিকে জানাতে আমাদের ই-মেইল করুন, আমরা তার সতত্য যাচাই করে প্রকাশ করব। যোগাযোগঃ মোবাইল: +৮৮ ০১৭৫৫-৪১৬২৬২ ই-মেইল: sotterdorpon24@gmail.com

জন্মদিন: স্মরণে হলিউডের “কুইন অব দ্য মুভিজ” – মেরি পিকফোর্ড

সত্যের দর্পন ডেস্ক
  • Update Time : বুধবার, ৮ এপ্রিল, ২০২৬
  • ১১ Time View

৮ এপ্রিল বিশ্ব চলচ্চিত্রের ইতিহাসে এক বিশেষ দিন। এই দিনে ১৮৯২ সালে কানাডার টরন্টোতে জন্মগ্রহণ করেন নীরব যুগের কিংবদন্তি অভিনেত্রী ও প্রযোজক মেরি পিকফোর্ড। তাঁর আসল নাম ছিল গ্ল্যাডিস লুইস স্মিথ। পরবর্তীতে তিনি হলিউডে নিজের প্রতিভা ও প্রভাবের মাধ্যমে হয়ে ওঠেন চলচ্চিত্র জগতের প্রথম দিককার সবচেয়ে জনপ্রিয় তারকাদের একজন।

শৈশব ও অভিনয়জীবনের শুরুঃ
দারিদ্র্য ও পারিবারিক সংকটের মধ্যেই পিকফোর্ডের শৈশব কেটেছে। খুব অল্প বয়সেই তিনি অভিনয়ের সঙ্গে যুক্ত হন—মাত্র সাত বছর বয়সে মঞ্চে অভিনয় শুরু করেন এবং পরে ব্রডওয়েতে কাজ করার সুযোগ পান।
১৯০৯ সালে চলচ্চিত্রে প্রবেশের পর তিনি দ্রুত জনপ্রিয়তা অর্জন করেন। নীরব চলচ্চিত্রের যুগে তাঁর অভিনয়শৈলী, সরলতা এবং আবেগময় অভিব্যক্তি দর্শকদের গভীরভাবে আকৃষ্ট করে।

“আমেরিকার সুইটহার্ট” থেকে বিশ্বতারকাঃ
পিকফোর্ডকে বলা হতো “America’s Sweetheart”—তারুণ্য, নিষ্পাপতা ও আবেগঘন চরিত্রের জন্য তিনি এই পরিচিতি পান। একই সঙ্গে তিনি “Queen of the Movies” হিসেবেও খ্যাতি অর্জন করেন।
Tess of the Storm Country (1914), Rebecca of Sunnybrook Farm (1917), Pollyanna (1920)–এর মতো চলচ্চিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে তিনি আন্তর্জাতিক খ্যাতি লাভ করেন। তাঁর জনপ্রিয়তা এমন পর্যায়ে পৌঁছায় যে ১৯১৬ সালের মধ্যেই তিনি হলিউডের প্রথম মিলিয়নিয়ার অভিনেত্রী হয়ে ওঠেন।

প্রযোজক ও উদ্যোক্তা হিসেবে অবদানঃ
শুধু অভিনেত্রী হিসেবেই নয়, পিকফোর্ড ছিলেন একজন দূরদর্শী উদ্যোক্তা। ১৯১৯ সালে তিনি United Artists প্রতিষ্ঠা করেন চার্লি চ্যাপলিন, ডগলাস ফেয়ারব্যাঙ্কস এবং ডি. ডব্লিউ. গ্রিফিথ–এর সঙ্গে। এই প্রতিষ্ঠান শিল্পীদের সৃজনশীল স্বাধীনতা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে ঐতিহাসিক ভূমিকা রাখে।
তিনি চলচ্চিত্র নির্মাণের বিভিন্ন দিক—চিত্রনাট্য, সম্পাদনা, প্রযোজনা—সবকিছুতেই সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করতেন, যা সেই সময়ের জন্য এক যুগান্তকারী দৃষ্টান্ত ছিল।

পুরস্কার ও স্বীকৃতিঃ
পিকফোর্ড তাঁর প্রথম সবাক চলচ্চিত্র Coquette (1929)–এর জন্য সেরা অভিনেত্রীর একাডেমি পুরস্কার অর্জন করেন। পরবর্তীতে ১৯৭৬ সালে চলচ্চিত্রে অসামান্য অবদানের জন্য সম্মানসূচক অস্কার লাভ করেন।

উত্তরাধিকারঃ
১৯৭৯ সালের ২৯ মে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। কিন্তু চলচ্চিত্র শিল্পে তাঁর অবদান আজও অমলিন। তিনি শুধু একজন অভিনেত্রী নন—তিনি ছিলেন চলচ্চিত্র শিল্পের রূপকারদের অন্যতম, যিনি নারীর ক্ষমতায়ন এবং শিল্পীর স্বাধীনতার নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেন।

শেষ কথাঃ
মেরি পিকফোর্ডের জন্মদিন কেবল একজন অভিনেত্রীর স্মরণ নয়; এটি বিশ্ব চলচ্চিত্রের এক স্বর্ণযুগের স্মৃতি। তাঁর জীবন ও কর্ম আজও প্রমাণ করে—সিনেমা কেবল বিনোদন নয়, এটি ইতিহাস, সংস্কৃতি এবং ব্যক্তিস্বাধীনতার এক শক্তিশালী মাধ্যম।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2023 Daily Sotter Darpan
Theme Customized BY WooHostBD