
নওগাঁ প্রতিনিধি : নওগাঁর বদলগাছীতে জমি নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষে মাসুদ নামে এক যুবকের মৃত্যুর ঘটনায় করা মামলায় সাংবাদিক রাসেল রানাকে আসামি করা হয়েছে। তাঁকে মামলায় আসামি করার ঘটনায় নিজের কোনো সম্পৃক্ততা নেই বলে দাবি করেছেন বালুভরা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আল এমরান হোসেন।
সাংবাদিক রাসেল রানাকে হত্যা মামলায় আসামি করার ঘটনায় চেয়ারম্যানের ভূমিকা রয়েছে এমন অভিযোগ তুলে বিভিন্ন পত্রিকায় প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। এর প্রতিবাদ জানিয়ে চেয়ারম্যান আল এমরান হোসেন প্রতিবাদলিপি দিয়েছেন।
বালুভরা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আল এমরান হোসেন বলেন, জমি নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে মারামারির ঘটনা ঘটেছে। এতে মাসুদ নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। এর বাইরে তিনি আর কিছু জানেন না। সাংবাদিক রাসেল রানাকে মামলায় আসামি করার বিষয়ে তাঁর কোনো ভূমিকা নেই এবং কাউকে তাঁকে আসামি করার নির্দেশও দেননি। মিথ্যা বানোয়াট ও অপপ্রচারের নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।
তিনি আরো বলেন, ‘একটি পক্ষ আমাকে জড়িয়ে বিভিন্ন ধরনের মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার করছে। এর মাধ্যমে আমার সামাজিক ও রাজনৈতিক ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার চেষ্টা করা হচ্ছে।’
তাঁর দাবি, ঘটনার তদন্ত করছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা এবং কার কী ভূমিকা ছিল, তা বেরিয়ে আসবে। তাই তদন্ত শেষ হওয়ার আগে কোনো পক্ষকে দায়ী না করে তথ্য যাচাই করে সংবাদ প্রকাশ করা উচিত।
এদিকে সাংবাদিক রাসেল রানাকে মামলায় আসামি করার কারণ হিসেবে বাদী রিফাত হোসেন তাঁর আসামিপক্ষের সঙ্গে থানায় যাওয়ার বিষয়টি উল্লেখ করেছেন।
রিফাত হোসেন জানান, ‘সাংবাদিক রাসেল রানাকে আসামি করার জন্য আমাকে কেউ নির্দেশ দেননি। আমিই তাঁকে আসামি করেছি। তিনি সবসময় আমাদের বিপক্ষে কাজ করেছেন।’
বাদীর অভিযোগ, সংঘর্ষের দিন তাঁদের বিরুদ্ধে আসামিপক্ষের জমির পটলগাছ ও বিভিন্ন সবজি নষ্ট করার অভিযোগ ওঠে। এরপর আসামিপক্ষের লোকজনকে সঙ্গে নিয়ে সাংবাদিক রাসেল রানা থানায় গিয়ে তাঁদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন। এ কারণে তাঁকে মামলায় আসামি করা হয়েছে বলে দাবি করেন বাদী।
এ বিষয়ে মামলার বাদী রিফাত হোসেন বলেন, ‘তিনি এই ঘটনায় জড়িত না থাকলে আসামিপক্ষের হয়ে থানায় যাবেন কেন? তিনি সবসময় আমাদের বিপক্ষে কাজ করেছেন। এ কারণে তাঁকে আসামি করা হয়েছে।