
যশোরে-মুফতি রেজাউল করিম
আতাউর রহমান জসি ঝিকরগাছা (যশোর) থেকে।(১১ এপ্রিল) শুক্রবার বিকেলেযশোর ঈদগাহ ময়দানে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ,যশোর জেলা শাখার আয়োজনে জনসভায় সভাপতিত্ব করেন মিয়া মোহাম্মদ আব্দুল হালিম। “ফিলিস্তিনে ইসরাইলি বাহিনী কর্তৃ ক গণহত্যা, প্রতিবাদে এবং ইসলামী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার দাবিতে বিশাল জনসভা অনুষ্ঠিত হয়। জনসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মুহতারম আমীর আলহাজ্ব মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করিম ,(চরমোনাই পীর )বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের নায়েবে আমির হযরত মাওলানা হাফেজ আব্দুল আউয়াল, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক (খুলনা বিভাগ) মাওলানা মোঃ শোয়াইব হোসেন, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক প্রফেসর ডঃ মুহাম্মদ ফারুক আহমাদ, ইসলামী আইনজীবী পরিষদের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক (খুলনা বিভাগ) অ্যাডভোকেট নূর ইসলাম নুরুল,বিশিষ্ট কলামিস্ট ও লেখক অধ্যক্ষ নাজমুল হুদা, ইসলামী আইনজীবী পরিষদের কেন্দ্রীয় জয়েন্ট সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট বায়েজিদ হুসাইন। প্রধান অতিথির বক্তব্যে চরমোনার পীর মুক্তি সৈয়দ মোঃ রেজাউল করিম তিনি তার বক্তব্যে বলেন
ইসলামী শাসন ব্যবস্থা কায়েম করতে হলে সকল ভেদাভেদ ভুলে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।“শুধুমাত্র নেতৃত্বের পরিবর্তন করলে চলবে না। তার সাথে নীতিরও পরিবর্তন করার জন্য সংষ্কার করতে হবে। তিনি আরো বলেন। দেশ থেকে সকল প্রকার দুর্নীতি, দুঃশাসন ও লুটপাট বন্ধ করতে হবে। আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে হাতপাখা মার্কার বিজয় সুনিশ্চিত করতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে। তিনি আরো বলেন ইসলামী আন্দোলনের নেতাকর্মীদেরকে সকল ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে সজাগ থাকতে হবে। জুলাই হত্যাকাণ্ডে বিচারসহ বিদেশে পাচারের সকল সম্পত্তি ক্রোক করেরাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দিতে হবে। তিনি আরো বলেন
বিগত ৫৩ বছরে যারা রাষ্ট্র ক্ষমতায় ছিল তারা জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষা পূরণ করতে সম্পূর্ণভাবে ব্যর্থ হয়েছে। ফিলিস্তিনেকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দিতে হবে এবং মুসলমানদের প্রথম কেবলা বায়তুল মুকাদ্দাস থেকে ইসরাইলি বাহিনীর হাত থেকে মুক্ত করতে হবে।বলে জনসভায় তিনি এসব কথা বলেন। জনসভা শেষে ফিলিস্তিনি নারী শিশু বৃদ্ধ গণমাধ্যম কর্মী ও সাধারন জনতার উপর ইসরাইল বাহিনী নিশংস হত্যাকাণ্ডে নিহতদের আত্মার মাগফেরাত কামনা ও আহত ব্যক্তিদের সুস্থতা জন্য মহান আল্লাহতালার দরবারে মোনাজাত করেন। জনসভায় প্রধান অতিথি মুফতি রেজাউল করিম।
এসময় আরো বক্তব্য রাখেন সিনিয়র সহসভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মফিজুল আলম খোকা, জয়েন্ট সেক্রেটারি এইচএম মহসিন, অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি হাফেজ আব্দুর রশিদ , সংগঠনিক সম্পাদক আশিক বিল্লাহ, প্রচার বিষয়ক সম্পাদক ও জাতীয় শিক্ষক ফোরামের জেলা সভাপতি মোঃ কামরুজ্জামান, অর্থ সম্পাদক এটিএম আখতারুজ্জামান তাজু, দপ্তর সম্পাদক মুফতি মঈন উদ্দিন, ত্রাণ ও সমাজ কল্যাণ সম্পাদক মোঃ আসাদুজ্জামান, শিল্প বাণিজ্য বিষয়ক সম্পাদক মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান মুন্না,জাতীয় ওলামা মাশায়েখ ও আইম্মা পরিষদের জেলা সভাপতি মাওলানা আব্দুল হালিম, ইসলামী শ্রমিক আন্দোলদের জেলা সভাপতি আলহাজ্ব আবুল বাশার,ইসলামী যুব আন্দোলন বাংলাদেশ জেলা সভাপতি মুফতি আবুজর বিন হাফিজ, ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ জেলা সভাপতি মাওলানা ইমরান হোসাইন, চৌগাছা উপজেলারসভাপতি আনিচুর রহমান, বাঘারপাড়া উপজেলা সভাপতি বেলাল হুসাইন, ঝিকরগাছা উপজেলা সভাপতি আব্দুল কাদের, শার্শা উপজেলা সভাপতি মাওলানা কামাল সহ প্রমুখ।
বিশাল জনসভায় যশোরে ঈদগাহ ময়দান লোকের লোকারণ্য ছিল।