
ঝিকরগাছায় খাদ্যবান্ধব ডিলার নিয়োগে স্বচ্ছতার প্রশ্ন তোলায় পূনঃতদন্তের সিদ্ধান্ত
ঝিকরগাছা (যশোর) প্রতিনিধি। যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলায় খাদ্য বান্ধব ডিলার নিয়োগে অস্বচ্ছতার প্রশ্ন উঠায় নিয়োগ কমিটির জরুরী সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় অতিসম্প্রতি ঝিকরগাছা উপজেলার ১১ইউনিয়নে ৪৩টি খাদ্যবান্ধব ও পৌরসভায় ৬টি ওএমএস ডিলার নিয়োগ প্রদানের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। নিয়োগ কমিটির বিরুদ্ধে দুর্নীতি , অনিয়ম ও অস্বচ্ছতার অভিযোগ উঠাই নিয়োগ কমিটি ডিলার নিয়োগের ব্যাপারে পূনঃতদন্তের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছেন। কমিটির সভাপতি উপজেলা নির্বাহী অফিসার ভুপালী সরকারের সভাপতিত্বে রবিবার বিকাল সাড়ে ৪টায় তার অফিস কক্ষে সভায় কমিটির সদস্য সচিব উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক ফাতেমা সুলতানা, সহকারী কমিশনার (ভুমি)নাভিদ সারওয়ার, কৃষি অফিসার মোঃ জাহাঙ্গীর আলম, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা জালাল আহম্মেদ, সমাজসেবা অফিসার মেজবাহ উদ্দিন, বিআরডিবি কর্মকর্তা মাহামুদুল হাসান সহ যাচাই-বাছাই কমিটির মাঠপর্যায়ের সকল সরকারি কর্মকর্তা ও বেসরকারি প্রতিনিধি উপস্থিতিতেএ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। সংশ্লিষ্ট সুত্রে জানাগেছে, উপজেলার খাদ্যবান্ধব ডিলারদের বিভিন্ন কেন্দ্র থেকে ১৮জন আবেদনকারী চুড়ান্ত বাছাইয়ে বাদপড়ায় লটারী নিয়ে স্বচ্ছতার প্রশ্ন তুলে উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর লিখিত অভিযোগ করেন । এর প্রেক্ষিতে অদ্যকার সভায় উপস্থিত মাঠপর্যায়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের কাছে নথি তলবপূর্বক ব্যাখ্যা চান নির্বাহী অফিসার ভুপালী সরকার। আবেদনকারিদের ডিলার নিয়োগ নীতিমালা বর্হিভূত অস্বচ্ছ,অসংগতিমূলক , ত্রুটিপূর্ণ কাগজপত্রাদি ও মতামত ফের আলোচনা-পর্যালোচনায় উঠে আসে। কমিটি এবিষয়ে নিজ নিজ অবস্থান থেকে নিজেদের স্বচ্ছতার বিষয়ে দৃঢ মতামত পুনর্ব্যক্ত করেন। বিস্তারিত আলোচনা ও পর্যালোচনা শেষে কমিটির সভাপতি উপজেলা নির্বাহী অফিসার ভুপালী সরকার তার সকল অধিনস্থ কর্মকর্তাদের সতর্ক করে কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, ’ অভিযোগ কারিরা অভিযোগ করতেই পারেন। এটা তাদের অধিকার’। কিন্তু অভিযোগ প্রমাণের দায়িত্বও অভিযোগ কারির। সভায় কমিটির সভাপতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম (ফেইসবুক) ডিলার নিয়োগ সংক্রান্ত নৈতিবাচক আপত্তিকর মন্তব্য করায় ক্ষোভ ও দুঃখ প্রকাশ করেন।