1. abdullah53024@gmail.com : Md Abdullah : Md Abdullah
  2. admin@sotterdorpon24.com : admin : Sotter Dorpon
  3. sotterdorpon24@gmail.com : Sazzad SD : Sazzad SD
হরর সিনেমার স্থপতি জেমস হোয়েল: হলিউড হররকে শিল্পে রূপ দেওয়া নির্মাতা - দৈনিক সত্যের দর্পণ হরর সিনেমার স্থপতি জেমস হোয়েল: হলিউড হররকে শিল্পে রূপ দেওয়া নির্মাতা - দৈনিক সত্যের দর্পণ
সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:২২ পূর্বাহ্ন
বিজ্ঞপ্তি :
বাংলাদেশের জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল দৈনিক সত্যোর দর্পণ পত্রিকার পক্ষ থেকে দেশ বাসিকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন সত্য প্রকাশে অবিচল” এই স্লোগানকে বুকে ধারন করে আমাদের পথ চলা, আপনার আশে-পাশে ঘটে যাওয়া ঘটনা খবরের পিছনের খবর সবার আগে দেশ-বাসিকে জানাতে আমাদের ই-মেইল করুন, আমরা তার সতত্য যাচাই করে প্রকাশ করব। যোগাযোগঃ মোবাইল: +৮৮ ০১৭৫৫-৪১৬২৬২ ই-মেইল: sotterdorpon24@gmail.com

হরর সিনেমার স্থপতি জেমস হোয়েল: হলিউড হররকে শিল্পে রূপ দেওয়া নির্মাতা

সত্যের দর্পণ ডেস্ক
  • Update Time : সোমবার, ১ জুন, ২০২৬
  • ২৪৬ Time View
হরর সিনেমার স্থপতি জেমস হোয়েল: হলিউড হররকে শিল্পে রূপ দেওয়া নির্মাতা

ফাহিম শাহরিয়ার রুমি: বিশ শতকের শুরুর দিকের হলিউড চলচ্চিত্র ইতিহাসে যেসব পরিচালক নিজেদের স্বতন্ত্র শৈলী ও দৃষ্টিভঙ্গির মাধ্যমে স্থায়ী ছাপ রেখে গেছেন, তাঁদের মধ্যে জেমস হোয়েল অন্যতম। ১৯৫৭ সালের ২৯ মে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার প্যাসিফিক প্যালিসেডসে মৃত্যুবরণ করেন। সেই দিনটিকে কেন্দ্র করে চলচ্চিত্রবিশ্বে তাঁকে স্মরণ করা হয় এক উদ্ভাবনী ও প্রভাবশালী চলচ্চিত্রকার হিসেবে, যিনি হরর ঘরানাকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে গিয়েছিলেন।

১৮৮৯ সালের ২২ জুলাই ইংল্যান্ডের ডাডলিতে জন্মগ্রহণ করেন জেমস হোয়েল। শ্রমজীবী পরিবারে বড় হয়ে ওঠা হোয়েল প্রথমে শিল্পকলার প্রতি আগ্রহী ছিলেন। প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় তিনি ব্রিটিশ সেনাবাহিনীতে যোগ দেন এবং যুদ্ধবন্দি অবস্থায় নাট্যচর্চার সঙ্গে যুক্ত হন—যা পরবর্তী জীবনে তাঁর চলচ্চিত্র নির্মাণের ভিত গড়ে দেয়। যুদ্ধ শেষে তিনি নাট্যজগৎ ও মঞ্চনির্মাণের সঙ্গে যুক্ত হন এবং ধীরে ধীরে পরিচালক হিসেবে পরিচিতি পান। ১৯২০-এর শেষ দিকে তিনি যুক্তরাষ্ট্রে যান এবং থিয়েটার ও চলচ্চিত্রে কাজ শুরু করেন। তাঁর প্রতিভার কারণে দ্রুতই হলিউডের ইউনিভার্সাল পিকচার্সের সঙ্গে যুক্ত হন, যেখানে তিনি একাধিক গুরুত্বপূর্ণ চলচ্চিত্র নির্মাণ করেন।

জেমস হোয়েলের সবচেয়ে বড় অবদান হলো হরর চলচ্চিত্রকে শিল্পসম্মত ও নান্দনিকভাবে উন্নত রূপ দেওয়া। তাঁর নির্মিত কয়েকটি চলচ্চিত্র চলচ্চিত্র ইতিহাসে ক্লাসিক হিসেবে স্বীকৃত: Frankenstein (1931), The Old Dark House (1932), The Invisible Man (1933), Bride of Frankenstein (1935)। বিশেষ করে Frankenstein ও Bride of Frankenstein চলচ্চিত্র দুটি তাঁকে বিশ্বব্যাপী খ্যাতি এনে দেয়। ১৯৩৫ সালের Bride of Frankenstein আজও সর্বকালের অন্যতম শ্রেষ্ঠ সিক্যুয়েল হিসেবে বিবেচিত হয় এবং হরর ঘরানার শৈল্পিক সম্ভাবনা আরও বিস্তৃত করে।

হোয়েলের চলচ্চিত্রে জার্মান এক্সপ্রেশনিজমের প্রভাব, নাট্যধর্মী আলোক-ছায়ার ব্যবহার এবং দৃশ্যগত কৌতুকের সঙ্গে ভয়াবহতার মিশ্রণ লক্ষ্য করা যায়। তিনি কেবল ভয়ের গল্প বলেননি, বরং মানবিক আবেগ, একাকীত্ব ও সৃষ্টির নৈতিক প্রশ্নও তুলে ধরেছিলেন।

চলচ্চিত্র নির্মাণ থেকে ধীরে ধীরে সরে এসে জীবনের শেষ পর্যায়ে তিনি কিছুটা নিভৃত জীবনযাপন করেন। ১৯৫৭ সালের ২৯ মে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। পরে তাঁকে লস অ্যাঞ্জেলেসের ফরেস্ট লন মেমোরিয়াল পার্কে সমাহিত করা হয়।

জেমস হোয়েলের প্রভাব শুধু তাঁর সময়েই সীমাবদ্ধ নয়। আধুনিক হরর চলচ্চিত্র, চরিত্র নির্মাণ এবং ভিজ্যুয়াল স্টোরিটেলিংয়ের ক্ষেত্রে তাঁর কাজ আজও অনুপ্রেরণার উৎস। তাঁর নির্মিত Frankenstein সিরিজ চলচ্চিত্র ইতিহাসে আইকনিক মর্যাদা অর্জন করেছে।

জেমস হোয়েল ছিলেন এমন একজন চলচ্চিত্রকার যিনি হরর ঘরানাকে শুধুমাত্র বিনোদনের পর্যায়ে না রেখে শিল্পের উচ্চতায় উন্নীত করেছিলেন। তাঁর মৃত্যুবার্ষিকীতে চলচ্চিত্রবিশ্ব তাঁকে স্মরণ করে এমন একজন স্রষ্টা হিসেবে, যিনি ভয়ের মধ্যেও মানবিকতার গল্প খুঁজে পেয়েছিলেন।

মৃত্যুবার্ষিকীতে এই গুণী নির্মাতার প্রতি রইল গভীর শ্রদ্ধা।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2023 Daily Sotter Darpan
Theme Customized BY WooHostBD