1. abdullah53024@gmail.com : Md Abdullah : Md Abdullah
  2. admin@sotterdorpon24.com : admin : Sotter Dorpon
  3. sotterdorpon24@gmail.com : Sazzad SD : Sazzad SD
প্রধান শিক্ষক বললেন কিছু ১৯-২০ হয়েছে - দৈনিক সত্যের দর্পণ প্রধান শিক্ষক বললেন কিছু ১৯-২০ হয়েছে - দৈনিক সত্যের দর্পণ
রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৪৩ অপরাহ্ন
বিজ্ঞপ্তি :
বাংলাদেশের জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল দৈনিক সত্যোর দর্পণ পত্রিকার পক্ষ থেকে দেশ বাসিকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।“ সত্য প্রকাশে অবিচল” এই স্লোগানকে বুকে ধারন করে আমাদের পথ চলা, আপনার আশে-পাশে ঘটে যাওয়া ঘটনা খবরের পিছনের খবর সবার আগে দেশ-বাসিকে জানাতে আমাদের ই-মেইল করুন, আমরা তার সতত্য যাচাই করে প্রকাশ করব। যোগাযোগঃ মোবাইল: +৮৮ ০১৭৫৫-৪১৬২৬২ ই-মেইল: sotterdorpon24@gmail.com

প্রধান শিক্ষক বললেন কিছু ১৯-২০ হয়েছে

সত্যের দর্পন ডেক্স
  • Update Time : শুক্রবার, ১৬ মে, ২০২৫
  • ৬৩৪ Time View

প্রধান শিক্ষক বললেন কিছু ১৯-২০ হয়েছে

নওগাঁর তপোবন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে ভুয়া ভাউচারে প্রকল্পের টাকা আত্মসাৎ

নওগাঁ প্রতিনিধি: নওগাঁ শহরের তপোবন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে ২০২৩-২০২৪ অর্থ বছরে সেকেন্ডারি এডুকেশন  ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রাম (ঝঊউচ) এর আওতায় মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর কর্তৃক পারফরমেন্স বেজড গ্র্যান্টস ফর সেকেন্ডারি ইন্সটিটিউশনস (চইএঝও) স্কীমের আওতায় শিক্ষার মান্নোয়নের জন্য ৫লাখ টাকা বরাদ্ধ দেয়া হয়।

বরাদ্ধকৃত অর্থের একটি অংশ শিক্ষকদের জন্য, অসহায় মেধাবী শিক্ষার্থীদের জন্য, প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের জন্য, নিরাপদ পানি, বিজ্ঞানাগার, পাঠাগার ও মেয়েদের কমন রুমের উন্নয়নে ব্যায় করার কথা উল্লেখ রয়েছে।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, নওগাঁর তপোবন বালিকা উচ্চ বিদালয় এসব খাতে ভূয়া বিল ভাউচার দেখিয়ে সিংহভাগ অর্থই আত্মসাৎ করেছেন। একটি ভাউচারে ২০০এউচ জঙ মিক্সিং মেশিন ক্রয় বাবদ খরচ দেখিয়েছেন ৭৬হাজার টাকা। যার বর্তমান বাজার মূল্য ৩০হাজারেরও কম। ২টি বুক সেলফ বাবদ ৪০হাজার টাকা ও অপরদুটি ভাউচারে ৫৫হাজার টাকার বই ক্রয় দেখালেও বাস্তবে ৫হাজার টাকার বইও খুঁজে পাওয়া যায়নি।

এদিকে অসহায় মেধাবী ১৫জন শিক্ষার্থীদের জন্য ৭৫হাজার টাকা বরাদ্ধ থাকলেও ১২জন শিক্ষার্থীকে দেয়া হয়েছে
৬০হাজার টাকা। অপরদিকে প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের সহায়তা ও উপকরন কেনা বাবদ ৫০ হাজার টাকা বরাদ্ধ থাকলেও তার কোন হদিস মিলেনি।

স্থানীয় জুয়েল হোসেন, রফিকুল ইসলাম, আব্দুল হাকিমসহ একাধিক অবিভাবকরা বলেন, বিদ্যালয়ে বরাদ্দগুলো দেওয়া হয়েছে উন্নয়ন এর জন্য। আর সেগুলো পকেটে ভরাচ্ছেন শিক্ষকরা। মাত্র ৫লাখ টাকার মধ্যে যদি এমন করে তাহলে কেমন শিক্ষক তারা। যদি ঘটনা সত্য হয়ে থাকে তবে প্রশাসন তাদের বিরুদ্ধে দ্রুত যেন ব্যবস্থা গ্রহণ করেন।

বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থী বলেন, কখন বরাদ্দ আসলো আর নতুন কি মেরামত বা ক্রয় করলো আমাদের বিদ্যালয়ের উন্নয়ন এর জন্য আমরা সঠিক জানিনা। তবে যদি বরাদ্দ এসেও থাকে তাহলে হয়তো অল্প কিছু কাজ করেছে।

তপোবন বালিকা উচ্চ বিদালয়ের প্রধান শিক্ষক আতিউর রহমান বলেন, বিগত কমিটির সময় বরাদ্ধ পেয়েছিলাম কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সকল কাজ হয়েছে। তাতে কিছু ১৯-২০ হয়েছে এটা আমি স্বীকার করি। বিল ভাউচার গুলা সমন্বয় করা হয়েছে।

নওগাঁ সদর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মোহাঃ ওয়াসিউর রহমান বলেন, আমি খোঁজ নিয়ে বিষয়টি দেখবো। যদি বরাদ্ধকৃত টাকার ব্যায়ের খাতে অসঙ্গতি পাই তবে অব্যশই ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

জেলা ভারপ্রাপ্ত মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ শাহাদৎ হোসেন বলেন, বরাদ্দকৃত টাকার অব্যশই স্বচ্ছতার সাথে শতভাগ কাজ করতে হবে। সেই সাথে উল্লেখিত কাজ সঠিকভাবে সম্পন্ন করতে হবে। শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও বিদ্যালয়ের উন্নয়নে কাজের জন্য বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। সেগুলোতে অনিয়ম করা হলে জড়িতদের বিরুদ্ধে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

প্রধান শিক্ষক বললেন কিছু ১৯-২০ হয়েছে

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2023 Daily Sotter Darpan
Theme Customized BY WooHostBD