
সত্যের দর্পণ ডেস্ক- আজ, পুরান ঢাকার অলিগলিতে ঘুড়ির পসরা
Published: 21 Jan 2024,
প্রতিবছর পৌষসংক্রান্তিতে ‘সাকরাইন উৎসব’–এ মেতে ওঠেন পুরান ঢাকার বাসিন্দারা। পৌষ মাসের শেষ দিনে নানা রঙের ঘুড়িতে ছেয়ে যায় পুরান ঢাকার আকাশ। এবারও এর ব্যতিক্রম হচ্ছে না।
আগামীকাল রবি বার এ সাকরাইন উৎসব হবে। ঐতিহ্যবাহী এ উৎসবের মূল আকর্ষণ ঘুড়ি ওড়ানো। তাই পুরান ঢাকার অলিগলিতে ঘুড়ি বেচাকেনায় ধুম পড়েছে।
সাকরাইনে ভোরে সূর্য ওঠার সঙ্গে সঙ্গে পুরান ঢাকার বাড়িগুলোর ছাদ থেকে শুরু হয় ঘুড়ি ওড়ানো। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে আকাশ ছেয়ে যায় নানা রঙের ঘুড়িতে। আর সন্ধ্যার পর শুরু হয় আতশবাজি, আগুনের খেলা।
আজ শনিবার সকালে পুরান ঢাকার জুরাইন, শ্যামপুর, যাত্রা বাড়ি, নারায়ণগঞ্জ ও এলাকা ঘুরে দেখা যায়, বিভিন্ন জায়গায় ঘুড়ির অস্থায়ী দোকান বসেছে। স্থায়ী দোকানগুলো তো আছেই। এর পাশাপাশি অলিগলি ও প্রধান সড়কের পাশে ফুটপাতেও বিক্রেতারা নানা রঙের ঘুড়ির পসরা সাজিয়ে বসেছেন।
একাধিক বিক্রেতার সঙ্গে কথা বলে জানা গেল, এবার সাকরাইনের আগে ঘুড়ির বেচাকেনা বেশ ভালো। তাঁরা ভালো ব্যবসার আশা করছেন।
জুরাইন এর বৌও বাজারের ঘুড়ি বিক্রেতা দুলাল সত্যের দর্পনকে বলেন, গতবার সাকরাইনে তেমন ব্যবসা করতে পারিনি।
এবার এখন পর্যন্ত মোটামুটি ভালোই বেচাকেনা হচ্ছে।
তবে এ বছর ঘুড়ি, নাটাই ও সুতার দাম কিছুটা
বেড়েছে।নানা ধরনের ঘুড়ির মধ্যে চশমাদার, চক্ষুদার, কাউটাদার, পঙ্খিরাজ, প্রজাপতি, ইগল, চার বোয়া, দুই বোয়া, টেক্কা, লাভ ঘুড়ি, মালাদার, দাবা ঘুড়ি, বাদুর, গোলচোখ ঘুড়ির চাহিদা বেশি বলে জানালেন বিক্রেতারা।
জুরাইন দোকানগুলো ঘুরে দেখা যায়, সাধারণ ঘুড়ি প্রতিটি বিক্রি হচ্ছে ৫ টাকা থেকে ৫০ টাকায়। বিদেশি ও নকশা করা ঘুড়ি বিক্রি হচ্ছে প্রতিটি ১৫০ টাকা থেকে ৩৫০ টাকায়। একেকটি নাটাই মানভেদে ১৫০ টাকা থেকে ৮০০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেল। মাঞ্জা দেওয়া সুতা মানভেদে ৬০ টাকা থেকে ২ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে।