
নাওডোবায় আইন অমান্যকারী ইউপি চেয়ারম্যান বেআইনি ভাবে জমি দখল করার অপচেষ্টা।।
শরীয়তপুর প্রতিনিধি- শরীয়তপুর জেলার জাজিরা উপজেলার নাওডোবা ইউনিয়নের উপমহাদেশের বিখ্যাত দার্শনিক কবি ও সঙ্গীতজ্ঞ, বীর মুক্তি যোদ্বা সব্দসৈনিক আব্দুল হালিম মিয়া বয়াতীর।
কর্মময় জীবনের স্মৃতিবিজড়িত,
শরীয়তপুর জেলার জাজিরা উপজেলার পদ্মা-সেতু দক্ষিন থানার অন্তর্গত।
পশ্চিম নাওডোবা ১০২নং মৌজায় তার বসত বাড়ি
বত্যমান তার পৈতৃক সূত্রে তার ওয়ারিশগন ভোগ দখল নিয়ত রয়েছে।
ভুক্তভোগী পরিবার সূত্রে জানা জানায় একই ইউনিয়নের ক্ষমতাশালী ও আইন অমান্যকারী ইউপি চেয়ারম্যান আলমগীর হোসেন ঢালী আব্দুল হালিম বয়াতীর ওয়ারিশ গংদের জমি জোরপূর্বক দখল করার চেষ্টা করে আসছে অনেকদিন যাবৎ, স্থানীয় শালিস বৈঠক হলে সে সঠিক আইন মানতে নারাজ বলে জানান ঐ ভুক্তভোগি পরিবার।
ইউপি চেয়ারম্যান আলমগীর হোসেন ঢালী বলেন আমার টাকা আছে, আইন আছে, ক্ষমতা আছে, এমপি আমার দলীয়। নেই শুধু পদ্মাসেতু গোলচত্বরে একটু জমি যে করেই হোক ১০টা লাশ পরলেও আমি এই জমি দখল করে নিবো।
শরীয়তপুরে তথা সারা বাংলাদের এই মুক্তি যোদ্বা সব্দ সৈনিক আব্দুল হালিম মিয়া বয়াতীর এক বিস্বাস্থ সূত্র সংবাদ মাধ্যামকে বলেন হালিম বয়াতী গংদের পৈতৃক সম্পক্তি বেয়াইনি ভাবে ইউপি চেয়ারম্যান আলমগীর হোসেন ঢালী জোর পূর্বক দখল করার অপচেষ্টা করে আসছে, তারা আইনের প্রতি স্রোদ্বাশীল। তাই পদ্মাসেতু দক্ষিন থানার ওসি মহোদয়কে বিষয়টা অবগত করা হলে ওসি মহোদয় জিডি নেই নিচ্ছি বলে কালক্ষাপন করেন ,
ও মাটি ভরাটের জন্য একজন এস আইকে পাঠান কিন্তু পুলিশ থাকা সত্যেও চেয়ারম্যানের লোকজন মাটি ভরাট গাড়ি আরও বাড়িয়ে দেয়।
সূত্রে জানা জায় চেয়ারম্যান আলমগীর হোসেন ঢালীকে জমি দখলে বাধাঁ দিলে চেয়ারম্যান ভয়ভীতি ও প্রান নাশের হুমকি দিয়ে আসছে।
যে কোন সময় পশ্চিম নাওডোবা দাউদ খানের মত হত্যার স্বীকার হতে পারে চেয়ারম্যানের ক্যাডার বাহিনীর দ্বারা এমটাই আতঙ্ক বিরাজ করছে।
শরীয়তপুরের সুশিল সমাজের গন মানুষের চাওয়া যেনো এই গুনি শিল্পীর পরিবারগন সঠিক বিচার পায়।
এবিষয়ে চেয়ারম্যান আলমগীর হোসেন ঢালীর সাথে যোগাযোগ করতে তার মুঠো ফোনে চেষ্টা করে তাকে পাওয়া জায়নি।