
ঝিকরগাছায় বিনামূল্যে চক্ষু শিবির উদ্বোধন করেন ইউএনও ভূপালী সরকার
ঝিকরগাছা (যশোর) প্রতিনিধি। ঝিকরগাছা উপজেলার সদর ইউনিয়নের পায়রাডাঙ্গা সাহারা জামান হাফিজিয়া মাদ্রাসা চত্বরে বিনামূল্যে চক্ষু শিবিরের উদ্বোধন করা হয়েছে। শান্তির প্রতীক কবুতর উড়িয়ে চক্ষু শিবিরের শুভ উদ্বোধন করেন প্রধান অতিথি ঝিকরগাছা উপজেলা নির্বাহী অফিসার ভূপালী সরকার।রোটারি ক্লাব অব যশোর ও সাহারা জামান হাফিজিয়া মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক আশফাকুজ্জামান খান রনি’র আয়োজনে, দা এফ আর ই ডি হ্যালো ফাউন্ডেশন এবং বিএনএসবি চক্ষু হাসপাতাল খুলনা’র সার্বিক সহযোগিতায় এ চক্ষু শিবিরের আয়োজন করা হয়। গতকাল (২৬ জুন) বৃহস্পতিবার সকাল ৯ টায় আসাদুল আমিন দোলনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ চক্ষু শিবিরে বক্তব্য রাখেন বিশেষ অতিথি সহকারী কমিশনার (ভূমি)নাভিদ সরওয়ার, ঝিকরগাছা থানা অফিসার ইনচার্জ নুর মোহাম্মদ গাজী ও এ প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক আশফাকুজ্জামান খান রনি।চক্ষু শিবিরে বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের একটি টিম সকাল ৯ টা থেকে বিকাল ৪ টা পর্যন্ত ৫ শতাধিক চক্ষু রোগীকে পরীক্ষা শেষে বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা প্রদান করেন ।কেবলমাত্র ছানি ও নেত্রনালী রোগীদের বাছাই করে লেন্স সংযোজনের (ILO)জন্য নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় গাড়িযোগে খুলনা বিএনএসবি হাসপাতালে নেওয়া হয়। অপারেশন শেষে তাদের লেন্স সংযোজন এবং চশমা প্রদান করা হয়। এ প্রতিবেদকের সাথে কথা হয় এই মহতী কাজের মূল উদ্যোক্তা আশফাকুজজামান খান রনির সাথে,জানতে চাইলাম দীর্ঘদিন ধরে তো আপনি এ মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা করে কোরআনের পাখিদের সেবায় নিজেকে আত্ম উৎসর্গ করেছেন, তাহলে আজকে এ উদ্যোগের কারণ কি । তিনি বলেন “আমি দীর্ঘদিন যাবত এই জনপদের আত্মপীড়িত হতদরিদ্র মানুষের পাশে থেকে সব সময়ই সেবা করেছি। এরই ধারাবাহিকতায় আমি এ অঞ্চলের অসহায় দুঃস্থ গরিব চক্ষু রোগীদের সেবা করতে চাই। আল্লাহ পাকের মেহেরবানীতে ছানি ও নেত্রনালী অপারেশনের মাধ্যমে অন্ধত্ব দূর করে নতুন লেন্স সংযোজনের মাধ্যমে এ জনপদের মানুষদের পৃথিবীর আলো দেখাতে চাই”। হাফেজ জুবায়েরের সঞ্চালনায় এ চক্ষু শিবিরে উপস্থিত ছিলেন সাহারা জামান হাফেজি মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা আশ্ফাকুজ্জামান খাঁন রনির মমতাময়ী মা প্রয়াত নুরুজ্জামান খান বাবুলের সহধর্মিনী সাহারা জামান, রোটারি ক্লাব অব যশোর , দা এফ আর ই ডি হ্যালো ফাউন্ডেশন ও বি এন এস বি চক্ষু হাসপাতালের কর্মকর্তা কর্মচারী, হাফেজ আহসানুল হোসেন ,হাফেজ নাজমুল ইসলাম সহ হাফেজ শিক্ষার্থী, বিভিন্ন অঞ্চল থেকে অসংখ্য চক্ষু রোগী, প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক্স মিডিয়ার সাংবাদিক বৃন্দ উপস্থিত ছিলেন ।