
মেদ নিয়ে ভাবনা আর না আর না! মেদ থেকে রক্ষা পেতে আসুন আমরা ভোরে ঘুম থেকে উঠে ৫টি কাজ করতে পারলে ওজন ঝরবে দ্রুত।
যোগ চর্চা শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এবং শরীর ও মন সুস্থ রাখে। সুস্থ দেহ, সুস্থ মন কার না কাম্য! কিন্তু সবাই কি সুস্থ দেহ-মনে চলতে পারি? না? সুস্থ দেহ এবং মনের জন্য আসুন আমরা নিয়মিত যোগ চর্চা করি। শারীরিক সুস্থতা এবং মনে প্রশান্তির জন্য ইয়োগার জুড়ি নেই।
বাড়তি ওজন মানেই শরীরে হাজার রকম রোগ বাসা বাঁধে। ফিট থাকতে রোগা হতে চান অনেকেই। তার জন্য পরিশ্রমও কম করেন না। জিমে যাওয়া, মেপে খাওয়াদাওয়া করা, হাঁটাহাঁটি, দৌড়ানো— বিস্তর চেষ্টার পরেও অনেক সময় ওজন কমতে চায় না। অনেক ক্ষেত্রে ওজন কমলেও তা না কমারই মতো। ওজন কমানোর এই দীর্ঘ প্রক্রিয়ায় তখন অনেকেই ধৈর্য হারিয়ে ফেলেন। পুষ্টিবিদেরা বলছেন, সকালের কয়েকটি কাজের মধ্যেই লুকিয়ে রয়েছে রোগা হওয়ায় মন্ত্র।
আসুন মেদ কমাতে যোগের পাশাপাশি লাইফ স্টাইল এবং খাদ্যভাস পরিবর্তন করি। আসুন আমরা মেদ কমাতে নিম্নলিখিত নিয়মগুলো মেনে চলতে চেষ্টা করি এবং মেদ কে না বলি-
তাড়াতাড়ি ঘুম থেকে ওঠা:
এক জন প্রাপ্ত বয়স্ক মানুষের ৮ ঘণ্টা ঘুম যথেষ্ট। তার বেশি ক্ষণ হলে হজমের গন্ডগোল দেখা দিতে পারে। দেরি করে ওঠার ফলে নির্দিষ্ট সময় ধরে শরীরচর্চা করারও সুযোগ হয় না। দেরি করে ঘুম থেকে ওঠার ফলে প্রাতরাশও করা হয়ে ওঠে না অনেক সময়ে। তাড়াতাড়ি বিছানা ছাড়লে সময় নিয়ে ব্যায়াম, প্রাতরাশ সবই নিয়মমাফিক করা সম্ভব।
ঈষদুষ্ণ লেবু-জল:
এক গ্লাস ঈষদুষ্ণ গরম জলে লেবু মিশিয়ে খেয়ে সকাল শুরু করলে অনেক উপকার পাওয়া যায়। বিশেষ করে রোগা হতে চাইলে গরম জল বেশ কার্যকর। শরীরের যাবতীয় দূষিত পদার্থ বার করে দিতে গরম জলের জুড়ি মেলা ভার। হজমেও সাহায্য করে গরম জল।
শরীরচর্চা:
না খেয়ে ওজন ঝরানোর চেয়ে পরিমিত খাবার খেয়ে শরীরচর্চা করে ওজন ঝরানো, বেশি স্বাস্থ্যকর। শরীরচর্চা ওজন কমানোর মোক্ষম অস্ত্র। রোগা হতে চাইলে সকালে উঠে অন্তত আধ ঘণ্টা সময় শরীরচর্চার জন্য বরাদ্দ করুন। শরীরচর্চা হোক কিংবা বাড়িতেই যোগাসন, সকালে উঠে যেটা করতে ভাল লাগে সেটাই করুন।
জলখাবারে প্রোটিন:
ওজন কমানোর সময়ে অনেকেই প্রোটিন ঠিক মতো খান না। পুষ্টিবিদেরা বলছেন, ভরপুর প্রোটিন আছে এমন খাবার অনেক ক্ষণ পেট ভরতি রাখতে সাহায্য করে। ফলে বার বার খাবার খাওয়ার প্রবণতা কম থাকে, খিদেও নিয়ন্ত্রণে থাকে। তাই প্রাতরাশে প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবার রাখতে পারেন।
বেশি করে জল খাওয়া:
দিনের বেশির ভাগ সময়টা আমরা বাইরে থাকি। তখন বেশি করে জল খাওয়ার সুযোগ হয় না অনেক সময়ে। সকালে ওঠার পর বাড়ি থেকে বেরোনোর আগে বেশি করে জল খেয়ে ফেলতে হবে। ওজন ঝরাতে চাইলে কিন্তু শরীরে জলের ঘাটতি হলে চলবে না। শরীরের বিপাকহার বৃদ্ধি করতে জলের ভূমিকা বেশ গুরুত্বপূর্ণ। বিপাকক্রিয়া ভাল হলে তবেই ওজন ঝরার প্রক্রিয়া তরান্বিত হয়।
যোগাই শেখাবে জীবনের মূল্যবান পাঠ! শিশুমন গঠনে এবং সারা জীবন সুস্থ থাকতে যোগের গুরুত্ব অপরিসীম
যারা সারা সারাজীবন সুস্থ, সুন্দর ও সুখী থাকতে চান তাদের জন্য এই প্রাণায়াম কেন্দ্র। প্রাণায়াম, ইয়োগা শুধু ওজন কমাতে নয়, সারাক্ষণ সুস্থ এবং নীরোগ থাকতে প্রাণায়াম যোগ করুন।
ডায়েট এসব সমস্যার সমাধান নয়। বরং সুন্দর ও প্রাকৃতিক উপায়ে বিভিন্ন রোগের সঠিক সমাধান হচ্ছে প্রাণায়াম যোগ অভ্যাস। আমাদের জীবন ক্রমশ অস্থির হয়ে যাচ্ছে, আমরা অনিদ্রা, ডিপ্রেশন, রাগ, অস্থিরতা ইত্যাদি সমস্যায় জড়িয়ে পড়ছি এসব থেকে আমাদের মুক্তি দরকার। প্রাণায়াম যোগ এমন এক জীবন ব্যবস্থা যার অভ্যাস আপনাকে সমস্ত নেতিবাচক চিন্তা, অভ্যাস এবং নেতিবাচক আচরণ থেকে সরিয়ে রাখবে। শরীর ও মনের সকল ব্যাধি দুর করবে।
নিজেকে সময় দিব, নিজেকে জানব, নিজেই নিজেকে ভালো রাখার দায়িত্ব নিয়ে নিব।
ভেড়ামারা বাসীর স্বাস্থ্য সুরক্ষায় উপজেলা প্রশাসনের সহায়তায় প্রতিদিন (সকাল ৬ থেকে ৭পর্যন্ত) ফ্রী যোগ শিখতে চলে আসুন উপজেলা অডিটোরিয়াম এ। নিজের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় ফ্রী যোগের ক্লাসে নিজে আসুন এবং অপরকে শিখতে সহায়তা করুন। যোগ করুন নীরোগ থাকুন। নিজের ডাক্তার নিজেই হয়ে উঠুন।
লায়ন ডাঃ কামরুল ইসলাম মনা
প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান প্রশিক্ষক
ডাঃ মনা ইয়োগা ওয়ার্ল্ড
থানার সামনে, ভেড়ামারা, কুষ্টিয়া।
০১৭১২২৭৬৭৫৩